নিজেকে কখনও প্রভাষক, কখনও আওয়ামীলীগ নেতা আবার কখনও স্বনামধন্য সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিচ্ছে। তার সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়, তিনি যে কলেজে চাকুরী করেন সেই কলেজে নিয়মিত উপস্থিত না হয়েই বেতন ভাতা ভোগ করছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কলেজের এক শিক্ষক জানান, শাহাদাত হোসেন আওয়ামীলীগ সমর্থিত হওয়ায় একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত হলেও তার বিরুদ্ধে কোন আইনী পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফাইল ছবি । কালামৃধা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ কমিটি গঠনে তার বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি ও অবৈধ অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ ওঠেছে। মাদক ব্যবসায়ী, চিহ্নিত জুয়াড়ী ও সন্ত্রাসীদের কমিটিতে অগ্রাধিকার দেয়ায় ইউনিয়নব্যাপী আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে। জানা যায়, নিজের চরিত্র চরিতার্থ করার জন্য ইদানিং সাংবাদিকতায় নাম লিখিয়েছেন। সম্প্রতি মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার পাইকপাড়া ইউনিয়নের শারিস্তাবাদ গ্রামের নতুন বাজার উদ্ধোধন করেন বাংলাদেশ সরকারের সাবেক মাননীয় নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। ঐ অনুষ্ঠানের ভিডিও চিত্র টিভিতে প্রচার ও পত্রিকায় রিপোর্ট করার নামে বাজার কমিটির নিকট থেকে হাতিয়ে নিয়েছে মোটা অংকের টাকা। এদিকে, অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার ও পত্রিকায় না আসার কারনে ফুঁসে উঠেছে ঐ এলাকার সাধারণ জনগন। শারিস্তাবাদ বাজারের কমিটির একাধিক সদস্য অভিযোগ করে বলেন, শাহাদাত আমাদের নিকট এসে নিজেকে টিভি ও প্রিন্ট মিডিয়ার লোক হিসেবে পরিচয় দেয়। আমরা তাকে বিশ্বাস করে অনুষ্ঠানটি প্রচারের জন্য নগদ ৫ হাজার টাকাও প্রদান করি। সে আমাদের সাথে এমন প্রতারণা করবে তা ভাবতেও পারিনি। সে আওয়ামীলীগের একজন নেতা হয়ে আওয়ামীলীগের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এমন প্রতারণা আমরা মেনে নিতে পারছি না। এ ব্যাপারে শাহাদাতের বক্তব্য জানার জন্য তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি। শারিস্তাবাদ বাজার কমিটির সদস্যরা প্রশ্ন করে বলেন, শাহাদাত কি সাংবাদিক? নাকি শিক্ষক? নাকি আওয়ামীলীগের নেতা? সাংবাদিক হলে তিনি কোন পত্রিকার সাংবাদিক? এমন হলুদ কার্ডের সাংবাদিকদের কারনে প্রকৃত সাংবাদিকদের সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে। তার সকল পেশার বৈধতা নিয়ে এরই মধ্যে বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন উঠেছে। তিনি কোন পেশার লোক? শাহাদাতের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ও সঠিক পরিচয়ের বিষয়টি তুলে ধরতে এবং খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে ভাঙ্গা উপজেলাবাসি। অনেকেই রসিকতার সুরে বলেন, শাহাদাত ইজ থ্রি-ইন-ওয়ান, এন্ড থ্রি-ইন-জিরো। |
Sunday, January 12, 2014
Author: Chetona Barta
Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.
0 coment rios: