Sunday, January 12, 2014

কক্সবাজারে বেড়েছে চালের দাম



স্টাফ রিপোর্টার,নিউজ এজেন্সি টোয়েন্টিফোর,কক্সবাজার-
বিরোধী দলগুলোর টানা হরতাল-অবরোধেও কক্সবাজার জেলার বাজার গুলোয় পেঁয়াজের মূল্য কমেছে।
গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিপ্রতিতে মূল্য কমেছে প্রায় ২০ টাকা। তবে এখনও চড়া চালের বাজার। আর সবজির বাজার স্বাভাবিক। বাজারে প্রচুর দেশি পেঁয়াজ আসায় মূল্য কমেছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। আর হরতাল-অবরোধে চালবাহী ট্রাক কম আসায় এখনও খুচরা বাজারে চালের মূল্য চড়া।
গত এক মাসের তুলনায় কেজিপ্রতি মূল্য বেড়েছে ৬ থেকে ৭ টাকা। আমদানিকৃত পেঁয়াজের মূল্য কেজিপ্রতি ৩৫ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৪০ টাকা যা গত সপ্তাহে ছিল ৭০ টাকা। গতকাল রবিবার কক্সবাজার শহরের বড় বাজার, উত্তর বাহারছড়ার কানা মিয়ার বাজার, বাহারছড়া বাজার, জেলার দ্বিতীয় বৃহৎ বাণিজ্যিক কেন্দ্র ঈদগাঁও বাজার ও চকরিয়া পৌর এলাকার বড় কাচার বাজার সহ কয়েকটি বাজার ঘুরে এ তথ্য জানা যায়।

কক্সবাজার শহরের বড় বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিকেজি মিনিকেট চাল মানভেদে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে নতুন চাল উঠলেও বেড়েছে নাজিরশাইল, গুটি স্বর্ণার মূল্য। প্রতিকেজি নতুন  নাজিরশাইল ৪৮-৫০ টাকা আর পুরনো নাজিরশাইল ৫৬-৬০ টাকা বিক্রি হয়েছে।

গত সপ্তাহে নতুন নাজিরশাইল ৪৬-৪৮, পুরনো ৫২-৫৬ টাকা। একই মানের চাল গত বছরের একই সময়ে ৩৮-৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। বাজারে এখন গুটিস্বর্ণা ৩৮-৪০, পারিজা ৩৬-৩৮, বিআর ২৮ ও লতা ৪০-৪৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বৃহৎ এই চাউল বাজারে সিন্ডিকেট করেই চালের মুল্য বাড়ানো ও কমানো হচ্ছে বলে ক্রেতাদের অভিযোগ।

এদিকে, চকরিয়ার পৌর এলাকাস্থ বড় কাচার বাজার (সবজি বাজার ) ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি বেগুন ২৫/৩০ টাকা, শালগম বিক্রি হচ্ছে ১৫-২০ টাকা, মূলা প্রতিকেজি ৮ থেকে ১২ টাকায়। টমেটো ৩০ টাকা, শিম ১৫-২০ টাকা, করলা ২৫-৩০ টাকা, নতুন আলু ২০ থেকে ২৫ টাকায়। এছাড়া কাঁচামরিচ প্রতিকেজি ৪০-৪৫ টাকা, আমদানিকৃত রসুন ৭০-৭৫ টাকা, দেশি রসুন ৮০-৯০ টাকা, আদা  ১২০/১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচেছ। বাজারে শিশু খাদ্যের দামও চড়া রয়েছে।

অন্যদিকে , প্রতিকেজি চিনি ৪৪ টাকা, মশুর ডাল ৭৫ থেকে ১০০ টাকা, খোলা সয়াবিন ১০৫ টাকা, বোতলজাত ৫ লিটার সয়াবিন বিক্রি হয়েছে ৫৭০-৫৮৫ টাকা দরে। অবরোধের আগে আটা ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও ৪ টাকা বেড়ে বিক্রি হয়েছে ৩৪ টাকা কেজি। আর ময়দা ৪২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৪৮ টাকা দরে। মাছের বাজারও বেশ চড়া। প্রতিকেজি রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়, তেলাপিয়া ১২০/১৫০ এবং ইলিশ ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

মাংস ব্যবসায়ী করিম ও আনোয়ার জানান, গরু ও খাসির মাংসের মূল্য স্বাভাবিক থাকলেও বেড়েছে মুরগির মাংসের মূল্য। প্রতিকেজি গরুর মাংস আগের মতোই বিক্রি হয়েছে ২৮০ টাকা কেজি দরে। আর খাসির মাংস ৪৫০ টাকা কেজি। ব্রয়লার মুরগির মাংস কেজিতে ১০-১৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হয়েছে ১৪০ টাকা। আর দেশি মুরগি ৩৫০ টাকা কেজি দরে। ডিমের হালিতে মূল্য কমেছে ২ টাকা। ব্রয়লার মুরগির ডিমের হালি গতকাল রবিবার বিক্রি হয়েছে ২৮ টাকা দরে।

শুক্রবার ও শনিবার অবরোধ না থাকায়জেলার বিভিন্ন বাজারে প্রচুর সবজি এসেছে। আগামী কয়েকদিনে আরো দাম কমার আশা করছেনক্রেতা ও বিক্রেতারা।

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: