এক-এগারো পরবর্তী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়লাভ বিবদমান সেই সমস্যা সমাধানে সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়। এনিয়ে দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনা ও প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়। সর্বশেষ কয়েক দফায় ভারতের পার্লামেন্টে সীমান্ত চুক্তি বিলও ওঠে।
কিন্তু বাধ সেধেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস ও তার সমর্থকরা। ফলে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত এই চুক্তি আলোর মুখ দেখেনি।
ভারত-বাংলাদেশ কেউ এনিয়ে মুখ না খুললেও তা এবার প্রকাশ করে দিয়েছে ভারতের কলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা।
পত্রিকাটি সোমবার বলেছে, তিস্তা চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মণি কলকাতায় এসে মহাকরণে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে বৈঠক করেছিলেন। সেখানে তিনি বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন। অনেকের ধারণা, এই ঘটনার পর থেকেই তিস্তা চুক্তি ও স্থলসীমা চুক্তি নিয়ে বিরোধিতায় অনড় অবস্থান নেন মমতা।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ঢাকা সফরে গিয়ে শেখ হাসিনাকে প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসার পরেও অতি গুরুত্বপূর্ণ এই দুই চুক্তি বাস্তবায়ন করা যায়নি। মমতার সঙ্গে বাদানুবাদকে দীপু মণির সবচেয়ে বড় ‘কূটনৈতিক হঠকারিতা’ বলে মনে করা হয়, যার খেসারত দিতে হয়েছে দেশ ও সরকারকে। যার দরুণ গত নির্বাচনী অন্তর্বর্তী সরকারেও বাদ পড়েছেন দীপু মনি। শেষ মুহূত্বে ফের একই আচরণ করলেন প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনা।
0 coment rios: